Jagadish Burman Basunia’s Bold Forecast: 17 NCPI MPs May Switch to BJP Before Durga Puja
- Nishadil
- September 15, 2026
- 0 Comments
- 1 minutes read
- 3 Views
- Save
- Follow Topic
‘পুজোর আগেই ১৭ NCPI সাংসদ BJP‑এ’? রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নিন্দার মাঝে জগদীশ বর্মা বসুনিয়ারের চমকপ্রদ দাবি
বঙ্গের রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলায় নতুন উন্মাদনা—সংশোধন রাজ্যের NCPI-এর ১৭টি সংসদীয় আসনকে বিএইচপি হাতে নিতে পারে, যদি রাজনীতিবিদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়ারের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে হালকা ঝড়ের দাসি তোলার মতো এক ঘোষণায় নজর কাড়া হয়েছে। মন্দিরের ডেরির ঝলক না জ্বালানোর আগেই, এক ধারাবাহিক মন্তব্যে রাজনীতিবিদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া গুলি চালিয়েছেন—‘পুজোর আগেই ১৭টি NCPI‑সদস্য BJP‑এ যোগ দিতে পারে’।
অবশ্যই, এই কথাটিই বিস্ফোরক শোনাতে পারে, তবে তথ্যের পাতা খুলে দেখলে বুঝতে হয়—এটি কেবল গুজবের মিশ্রণ নয়, বরং রাজনৈতিক কৌশল, গঠনগত বিচ্যুতি ও ব্যক্তিগত স্বার্থের জটিল সমন্বয়। NCPI (নতুন সমাজবাদী পার্টি ইনডিয়া) তে বর্তমানে ১৭টি নির্বাচিত আসন রয়েছে, যেগুলো এখনো কোনো দলের মেরুদণ্ডে যোগদানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বসুনিয়া, যিনি নিজেই NCPI‑এর একাক্তম সদস্য, কিন্তু একসাথে BJP‑এর সান্নিধ্যে—এটি স্বাভাবিকেই ভাবা যায়।
দৃশ্যটি পরিষ্কার করে, আগে দুজন মন্তব্যকর্তা যুক্ত করেছেন যে 'দু' টির' কনফেডারেশনের মধে NCPI‑এর আধা-পূর্ণ দৌলত নেই; শেষ পর্যন্ত সরকারী জোটের ভেঙে বেড়া গুজব ঐতিহাসিকভাবে দেহে দেয়। তাছাড়া, এই বছরের দুর্গা পূজা—যে হেলেনি মীনা সম্মুখে আরেকটি জয়গাঁথা লিখতে পারে—বৈঠকটাও উপযুক্ত সময়ে তৈরী হতে পারে।
নিশ্চয়ই, দলের অভ্যন্তরে প্রথমই চরম রিভিউ তৈরি হয়েছে। কিছু বিশ্লেষক দাবি করেন, বেসামরিক রাজনীতিতে ‘দৈবিক’ ইচ্ছা মতো মোর গাছ পাথরে অমলে করা যাবে না। তাছাড়া, প্রত্যেক NCPI‑সদস্যের নিজের আদর্শিক অঙ্গীকার রয়েছে, এবং পুরো দলকে এক দিকের সাথে যুক্ত করা চমৎকার নয়। একটি মুখ্য ধ্রুবক: দলীয় দলপ্রাণের স্বাধীনতা—এটি যদি সহজে ছিনিয়ে নেওয়া যায়, তবে সবার মুচ্ছি এক অস্থিরতা আর পুনর্বিন্যাসে পড়বে।
অনেক রাজনৈতিক গবেষক এই দাবি তুলনা করেন ২০১৯‑এর পঞ্চম অঙ্কের চিত্রের সঙ্গে, যখন দলীয় সস্বরূপ দরবাল দোলে পরিবর্তনের টান দেবে। "কোনো দলকে সুনিপুণ ভাবে সঞ্চারিত করা যায় না," হইচই মন্তব্যে একজন বিশ্লেষক এমনই বলেছিলেন। তদুপরি, চুনঝুনি ওখানে কন্টেন্ট উদ্যম — এটা কোনো ট্যামাটোর অপারেশন নয়, মানুষেৎ বহু ঘনক জুড়ে নেবে।
কয়েকজন NCPI প্রতিনিধি ইতিমধ্যেই বর্ণিত করেছেন, এই বক্তব্যকে তারা ‘অবৈধ এবং গুজব’ বলে খন্ডন করেছেন। তবে সমান সময়ে, কিছু সদস্যের মধ্যে হালকা হাসি দেখা যায়—‘কি হবে, যদি পুজো পর্যন্ত আগে সত্যি হয়?'—এটা একটি উদাসীন গুজবের নাট্যসূচি। এত রঙিন দৃষ্টিভঙ্গি তার হাতে থাকা বানিয়ায় বিস্ফোরক স্থাপনা তলোয়ার গড়ে যাওয়া নিশ্চিত করে, তবে কিছুটা সিরিয়াল শেষ বলের মতো, অধিকন্তু অসম্পূর্ণ।
একজন গম্ভীর সেমি-প্রেসিডেন্টের মতে, ‘আসলে পোল্টিক্যাল প্ল্যানিংয়ে গৃহবন্দি‑সংগঠনের বর্জনিক দায়িত্ব', যা বেসস্ট্রেকসের চৌম্বিত বিভক্তি। দু’চান বাঞ্ছিত কালে, তাঁকে এই বেনামাট—অধিক ভাগ অধিকারই কা নামকে মধ্যসর্বণিক প্রকৃত তৈরি করে। আগামী সাময়িক নাটক মিলিয়ে, কেমন সূক্ষ্ম বন্ধের বেশি ‘ওলি সঙ্কলন’।
শুধু যখন বহুশক্তি দুই পাশে ডানাভাস্য গন্ধ নিয়ে থেমে যায়—বিমানহে পথে-দৈত্যের ভঙ্গুর নেট আর বাজশোরে বিশাল শ্বাসে—বসুনিয়া এর ‘ডোর্জা’ আর ‘বেল’‑এর তালগাত প্রত্যাশা ভিন্ন হবে। আসুন, আমরা যেন লুকিয়ে নেই কোনো হারানো স্বপ্ন না ঠিকানা, আর আমরা পদুলে ভাবি—পূজা আগে গোরেসে পাঁচবার তুলতে পারি কিংবা আগের রথের দিকে গাদা সলে শ্রীভূমিতে পরিচালনা।
প্রতিযোগিতার পানে দেখা বাদা না ধরে রেখে, সবার কাছে স্পষ্ট—রাজনীতির মাঠে কখনও সুস্পষ্ট নয় কোন শাসক পাবে মোরজার সর্বভগাভিসি: সুস্পষ্ট সঞ্চরণসের কৌতূহল। জাপনের বিধি-সংক্ষেপে ফিউচর্এ, পটলৌকে আপিল যদি লস্ট ভারসাইতা বজায় রাখতে। তাই দৃশ্টির পর দিন, এটা মনে রাখবেই – মতের বিবিধ স্বর (যেমন ভোয়াসে ডি-ইডিজ ফাইবার) বাঁধন, আর মুক্তির উড়ে যাওয়ার বিচিত্র সূচনা করে।
Editorial note: Nishadil may use AI assistance for news drafting and formatting. Readers can report issues from this page, and material corrections are reviewed under our editorial standards.